1. sylhetmohanagarbarta@gmail.com : সিলেট মহানগর বার্তা :
রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২:৫৮ পূর্বাহ্ন
ঘোষণা:
জরুরী নিয়োগ চলছে দেশের প্রতিটি বিভাগীয় প্রতিনিধি, জেলা,উপজেলা, স্টাফ রিপোর্টার, বিশেষ প্রতিনিধি, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি, ক্যাম্পাস ও বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি বা সাংবাদিক নিয়োগ চলছে।
প্রধান খবর:
মানবিক সাহায্যের আবেদন বাঁচতে চায় ৮ বছর বয়সী শিশু রিয়া মনি সাংবাদিক গোলজারের মায়ের ইন্তেকাল, দাফন সম্পন্ন,আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া কবি মুহিত চৌধুরীর জন্মদিন আজ ওসমানী হাসপাতালের কর্মচারীরা ওয়ার্ড মাষ্টার রওশন হাবিব ও ৪র্থ শ্রেনীর কর্মচারী আব্দুল জব্বারের হাতে জিম্মি সাংবাদিক তাওহীদকে প্রাণনাশের হুমকিতে অনলাইন প্রেসক্লাবের উদ্বেগ সিলেটে সাংবাদিক তাওহীদুল ইসলামকে প্রাণনাশের হুমকি, থানায় জিডি লিডিং ইউনিভার্সিটি থেকে পেশাগত অসদাচরণের দায়ে স্থপতি রাজন দাস চাকুরিচ্যুত নবগঠিত ২৮, ২৯, ৩০,৪০, ৪১ ও ৪২ নং ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের আহবায়ক ও যুগ্ম আহবায়কের নাম ঘোষণা গোলাপগঞ্জ উপজেলার উন্নয়ন মেলার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান গেয়ে মাতিয়েছেন হিল্লোল শর্মা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনা’র ৭৭তম জন্মদিন উপলক্ষে সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের কর্মসূচী

বাংলা ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস: নুরুল হোসাইন ফারুক

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩
  • ৫১৫ বার পড়া হয়েছে

বাংলা ভাষা নিয়ে কিছু সত্য ইতিহাস! লেখাটি একটু লম্বা হওয়ার কারণে দুঃখ প্রকাশ করছি। আরেকটি পর্ব বাকি আছে যেটি পরবর্তীতে প্রকাশ করবো। কথা না বাড়িয়ে শুরু থেকেই মূল কথায় চলে যাব।

প্রথমেই ২১ ফেব্রুয়ারির সকল ভাষা শহীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি এবং তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। যারা বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা পাইয়ে দেয়ার জন্য পাকিস্তানি শাসকদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে তাঁদের জীবন উৎসর্গ করেছেন।

মূলত বাংলা ভাষার বিরোধিতা শুরু হয়েছিল প্রাচীন বাংলায় সেন আমল থেকে (১০৯৮ – ১২০৪) যারা ছিলো উচ্চ বর্ণের হিন্দু। সেন রাজারা পাল দের হটিয়ে যখন দাক্ষিণাত্যের কর্ণাটাক দখল করে তার পর থেকে সংস্কৃত ভাষার ব্যপক প্রসার ঘটতে থাকে। সেন রাজারা ব্রাহ্মণ্য বাদ কে সংস্কৃত ভাষায় প্রচার করতে গিয়ে বাংলা কে নিষিদ্ধ করে কারণ তাদের ভাষা ছিলো সংস্কৃত।

তখন প্রায় ৭০ ভাগ জনগোষ্ঠী ছিলো বৌদ্ধ যারা বাংলা ভাষায় কথা বলত। কিন্তু বাংলা ভাষায় কথা বলার কারণে সেন শাসকরা তাদের জিহবা কেটে দিত, কানে গরম শিষা ঢেলে দেওয়া হতো। অবর্ননিয় অত্যাচার, নির্যাতন চালানো হতো, হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছে তারা বাংলা ভাষায় কথা বলার অপরাধে।

সুলতানি আমল( মুসলমানদের যুগ) কে বাংলা সাহিত্যের স্বর্ণ যুগ বলে আখ্যায়িত করেছেন দীনেশচন্দ্র সেন। তিনি বলেছেন মুসলমানদের বাংলা বিজয় বাংলা সাহিত্যের কল্যাণের কারণ হয়ে এসেছে, বাংলা সাহিত্যের স্বর্ণ দোয়ার খুলে দিয়েছিল মুসলমানদের বাংলা বিজয় এভাবে তিনি মুসলিম শাসকদের প্রশংসা করেছেন। অথচ এখন অনেকেই বলে মুসলমানরা নাকি বাংলা ভাষার বিরোধিতা করেছিল।

নিচে দেখুন মুসলিম শাসকদের অবদানের কিছু অংশ –

ভাষা সাহিত্যিক ড.এনামূল হক বলেন মুসলমানরা যদি বাংলা বিজয় না করতো, তাহলে বাংলা পৃথিবীর বুক থেকে চির তরে মুছে যেতো।

গিয়াসউদ্দিন আযম শাহ প্রথম বাংলা কে রাষ্ট্র ভাষার মর্যাদা দেন।

শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ সমগ্র বাংলাকে একত্র করে নাম দেন শাহ-ই- বাঙ্গালা। যা ছিলো প্রথম বাংলায় স্বীকৃত কোন দেশের নাম।

মহাভারত, রামায়ণ, বেদ,গিতা, পঞ্চতন্ত্র এর মতো হিন্দু শাস্ত্রের বিখ্যাত বইগুলো মুসলমান শাসকদের আমলে রাষ্ট্রের টাকায় অনুবাদ করা হয়।

বাংলা ভাষায় লিখিত প্রথম গ্রন্থ, ইউসুফ -জুলেখা বাংলার প্রাচীন কবি শাহ মুহাম্মদ সগীর।

সোমপুর বৌদ্ধ বিহার, পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার, জগৎজ্যোতি বৌদ্ধ বিহার গুলো ধংস করেছে সেন রা।

ইখতিয়ারউদ্দিন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজি বাংলা স্বাধীন করার পর তাকে সাদরে গ্রহণ করেছিল বাংলা হিন্দু -মুসলিম-বৌদ্ধরা। কারান সেনরা এদেশের মানুষের উপর নির্যাতনের স্টিমরোলার চালিয়েছিলো এবং বাংলাকে এদেশে নিষিদ্ধ করেছিল। কিন্তু খিলজি তাদেরকে এই অত্যাচারের হাত থেকে রক্ষা করেন আর এভাবেই আজকের বাংলা ভাষা মুসলমানদের হাত ধরে এ পর্যায়ে এসে পৌছেছে।

আজ বাংলা আমাদের মাতৃভাষা, গর্বের ভাষা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: এন আর