1. sylhetmohanagarbarta@gmail.com : সিলেট মহানগর বার্তা :
রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৭:৩৮ পূর্বাহ্ন
ঘোষণা:
জরুরী নিয়োগ চলছে দেশের প্রতিটি বিভাগীয় প্রতিনিধি, জেলা,উপজেলা, স্টাফ রিপোর্টার, বিশেষ প্রতিনিধি, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি, ক্যাম্পাস ও বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি বা সাংবাদিক নিয়োগ চলছে।
প্রধান খবর:
মানবিক সাহায্যের আবেদন বাঁচতে চায় ৮ বছর বয়সী শিশু রিয়া মনি সাংবাদিক গোলজারের মায়ের ইন্তেকাল, দাফন সম্পন্ন,আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া কবি মুহিত চৌধুরীর জন্মদিন আজ ওসমানী হাসপাতালের কর্মচারীরা ওয়ার্ড মাষ্টার রওশন হাবিব ও ৪র্থ শ্রেনীর কর্মচারী আব্দুল জব্বারের হাতে জিম্মি সাংবাদিক তাওহীদকে প্রাণনাশের হুমকিতে অনলাইন প্রেসক্লাবের উদ্বেগ সিলেটে সাংবাদিক তাওহীদুল ইসলামকে প্রাণনাশের হুমকি, থানায় জিডি লিডিং ইউনিভার্সিটি থেকে পেশাগত অসদাচরণের দায়ে স্থপতি রাজন দাস চাকুরিচ্যুত নবগঠিত ২৮, ২৯, ৩০,৪০, ৪১ ও ৪২ নং ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের আহবায়ক ও যুগ্ম আহবায়কের নাম ঘোষণা গোলাপগঞ্জ উপজেলার উন্নয়ন মেলার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান গেয়ে মাতিয়েছেন হিল্লোল শর্মা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনা’র ৭৭তম জন্মদিন উপলক্ষে সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের কর্মসূচী

নাটোরের বিআরটিএ অফিস দালালদের আখড়া,

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৮৪ বার পড়া হয়েছে

আবু সাঈদ,ক্রাইম রিপোর্টার।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) নাটোর কার্যালয়ের কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ, দালালদের আখড়ায় পরিণত হয়েছে কার্যালয়টি। ওই অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যোগসাজশে গড়ে উঠেছে দালালদের শক্তিশালী সিন্ডিকেট।

লালপুর উপজেলার ধুপাইল গ্রামের মুনসুর আলী মোটরসাইকেলের ড্রাইভিং লাইসেন্স নেওয়ার জন্য আসেন বিআরটিএর নাটোর কার্যালয়ে। তাকে বিভিন্ন অজুহাতে ঘোরাতে থাকেন ওই অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। পরে এক ব‌্যক্তির ম্যাধমে পরিচয় হয় দালাল চক্রের অন্যতম হোতা গোলাম কিবরিয়া মিজানের সঙ্গে।

লাইসেন্সের জন‌্য মুনসুর আলীর কাছে সাড়ে ৬ হাজার টাকা দাবি করেন মিজান।

মিজানের সঙ্গে কথা হয় এ প্রতিবেদকের। মিজান জানান, বিআরটিএ অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহযোগিতায় কাজ করেন দালালরা।

আরেক দালালের সঙ্গে কথা বলে একই তথ‌্য জানা যায়। মিজান বলেন, ‘লাইসেন্সের জন‌্য পরীক্ষা দেবেন। সাদা খাতা জমা দিয়ে আসবেন। পাস করানোর দায়িত্ব আমাদের ওপর ছেড়ে দেবেন।’

বিআরটিএ অফিসের সামনে গেলে সেবাগ্রহীতারা অভিযোগ করেন, গাড়ির ফিটনেস লাইসেন্স এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স নিতে এলে ভোগান্তি পোহাতে হয়। দালাল না ধরলে কোনো কাজই হয় না। লাইসেন্স প্রতি দুই গুণ, তিন গুণ টাকা বেশি দিতে হয়।

বিআরটিএর সহকারী পরিচালক মো. রাসেদুজ্জামান সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, ‘আমি কিছু দিন আগে এখানে যোগ দিয়েছি। আমার অফিসের কেউ অনিয়ম-দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত না। বাইরের দালাল চক্রকে রোধ করা আমার একার পক্ষে সম্ভব নয়। বিআরটিএ অফিসের অনিয়ম-দুর্নীতি রোধে ডিসি স্যারের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত ব্যবস্থা নেবো।’

নাটোরের পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা বলেছেন, ‘নতুন সড়ক পরিবহন আইন কার্যকর হওয়ার পর থেকেই বিআরটিএ অফিসে সেবাগ্রহীতাদের ভিড় বেড়েছে। এই সুযোগে দালাল চক্র সক্রিয় হয়েছে। ইতোমধ্যে আমরা একজন দালালকে আইনের আওতায় এনেছি। দালালদের তালিকা করা হয়েছে। বিআরটিএ অফিস দুর্নীতিমুক্ত করতে জেলা পুলিশ তৎপর আছে।’

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: এন আর